Friday, May 20, 2016

মিশরীয় সভ্যতা


খ্রিঃপূঃ ৪০০০                       মিশরে প্রথম সামাজ্যর উদ্ভব ঘটে।

                                      ইজিপ্টের প্রাচীন নাম মিশর।

                                      মিশর এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপ মহাদেশ দ্বারা পরিবেষ্টিত ভূমধ্যসাগরের উপকূলে অবস্থিত। এর উত্তরে ভূমধ্যসাগর, পূর্বে লোহিত সাগর, পশ্চিমে সাহারা মরুভূমি, দক্ষিণে সুদান ও অন্যান্য আফ্রিকার দেশ।

                                      আয়তন প্রায় চার লক্ষ বর্গমাইল।

                                                উত্তর মিশরকে বলা হতো নিম্ন মিশর

                                                দক্ষিণ মিশরকে বলা হতো উচ্চ মিশর

Thursday, May 19, 2016

মানবসভ্যতার শুরু

আদিম যুগের মানুষ কৃষিকাজ জানত না। বনে বনে ঘুরে ঘুরে ফলমূল সংগ্রহ করত। এই ছিল তাদের খাদ্য। এরপর মানুষ পাথর ভেঙে ঘসে ঘসে ধারালো অস্ত্র তৈরি করতে শেখে। সে সময় পাথরই ছিল তাদের একমাত্র হাতিয়ার। সে কারণে এ যুগকে পাথরের যুগ বলা হতো। পাথর যুগের প্রথম পর্যায়কে বলা হতো পুরনো পাথরের যুগ বা পুরোপলীয় যুগ। এ যুগে মানুষ পাথরের অস্ত্র দিয়ে দলবদ্ধভাবে পশু শিকার করত। এরা আগুনের ব্যবহারও জানত।
পুরনো পাথরের যুগ শেষ হয় মানুষ যখন কৃষিকাজ শেখে, একই সঙ্গে শেষ হয় তাদের যাযাবর জীবন। এ যুগকে বলা হয় নতুন পাথরের যুগ বা নবোপলীয় যুগ। কৃষির প্রয়োজনে এযুগে মানুষ নদীর তীরে বসবাস শুরু করে।  ঘর-বাড়ি নির্মাণ করতে শেখে। এভাবেই মানবসভ্যতার শুরু।

প্রাচীন বাংলার জনপদ


সাধারণতঃ ইতিহাসে খ্রিষ্টপূর্ব কয়েক শতক পূর্বের সময় থেকে খ্রিষ্টীয় পঞ্চম শতকেই প্রাচীনকাল বা যুগ বলে ধরা হয়ে থাকে।
তবে অঞ্চল ভেদে কালবিভাজনের তারতম্যও লক্ষ্য করা যায়।
খ্রিষ্টীয় তেরো শতকের পূর্ব পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় দু’ হাজার বছরের সময়কে বাংলার প্রাচীন যুগ বলে ধরা হয়ে থাকে।
প্রাচীন যুগে বাংলা, বর্তমানের বাংলাদেশ ও পশ্চিম বঙ্গ, কোনো একক ও অখণ্ড রাষ্ট্র বা রাজ্য ছিল না। বাংলার বিভিন্ন অংশ তখন অনেকগুলো ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত ছিল। আর প্রতিটি অঞ্চলের শাসক যার যার মতো শাসন করতেন। বাংলার এ অঞ্চলগুলোকে তখন সমষ্টিগতভাবে নাম দেয়া হয় ‘জনপদ’। (চতুর্থ শতক হতে গুপ্ত যুগ, গুপ্ত পরবর্তী যুগ, পাল, সেন প্রভৃতি আমলের উৎকীর্ণ শিলালিপি ও সাহিত্য গ্রন্থে প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর নাম পাওয়া যায়। এসব জনপদ ঠিক কোথায় কতখানি জায়গা জুড়ে ছিল তা বলা যায় না। তবে প্রাচীনকালের প্রাপ্ত বিভিন্ন ঐতিহাসিক উপাদান হতে তাদের অবস্থান সম্বন্ধে মোটামুটি আঁচ পাওয়া যায়। )

Monday, March 7, 2016

কোন কোন ক্ষত্রিয় যোগবলে ব্রাহ্মণত্ব প্রাপ্ত হইয়াছিলেন

চন্দ্র ও সূৰ্য্যবংশে, ব্রাহ্মণ ক্ষত্ৰিয় বৈশ্য ও শূন্দ্র, চারি বর্ণেরই উৎপত্তি পুরাণাদিতে বর্ণিত আছে। এক ব্যক্তির পুত্ৰগণ মধ্যে কেহ ব্রাহ্মণ, কেহ ক্ষত্রিয়, কেহ বৈশ্য, কেহবা শূদ্র হইয়াছেন। কোন কোন ক্ষত্রিয় যোগবলে ব্রাহ্মণত্ব প্রাপ্ত হইয়াছিলেন । অতএব চন্দ্রবংশীয় অথবা সূৰ্য্যবংশীয় মাত্র নির্দেশ করিলে, জাতির নির্দেশ হইতে পারে না
----আদিশূর ও বল্লাল সেন
------পার্ব্বতীশঙ্কর রায়চৌধুরী

আদিশূর বৈদ্যজাতি

কুলাচার্য্যঠাকুর কৃত কুলজি গ্রন্থে আদিশূরের ক্ষত্রিয় জাতি নির্দেশ আছে, কিন্তু অন্যান্য কুলজিগ্রন্থে, আদিশূর বৈদ্যজাতি, স্পষ্টাক্ষরে উল্লেখ প্রাপ্ত হওয়া যায় । এবম্বিধ মতভেদের কারণ আমরা অনুমান দ্বারা যতদূর স্থির করিতে পারিয়াছি, তাহাতে বোধ হয় যে, লিপিকারকের ভ্রম বশতঃ রাজেন্দ্রবাবুর কথিত কুলপঞ্জিকাতে, পাঠের কোন প্রকার পরিবর্তন হইয়া থাকিবে।
এতদ্দেশে মুদ্রাযন্ত্র প্রচলিত হওয়ার পূৰ্ব্বে সকলকেই পুস্তকাদি স্বহস্তে লিথিয়া লইতে হইত। যাহারা বিদ্বান এবং ভাষাজ্ঞ তাহারাই গ্রন্থাদির অবিকল, এবং যথাযথ প্রতিলিপি করিতে পারিতেন । কিন্তু যাহার তদ্বিষয়ে নুনি, তাহাদিগের লিখিত পুস্তকের অধিকাংশ স্থলে, মূল পুস্তকের পাঠ পরিবর্ত্তন এবং ভাবান্তর হইয়া যাইত । বিশেষতঃ কুলজিগ্রন্থের আলোচনা এবং প্রয়োজন একমাত্র ঘটক সম্প্রদায়ের হস্তে ন্যস্ত ছিল । ব্যবসায় চালাইবার অনুরোধে, অনেকেই ব্যাকরণ ও সাহিত্য শিক্ষার অবসর প্রাপ্ত হইতেন না ; এবং অল্প কিঞ্চিৎ শিক্ষা করিয়া ব্যবসায় আরম্ভ করিতেন, ও কুলজি হইতে কতিপয় শ্লোক কণ্ঠস্থ করিয়া, জনসমাজে ঘটকচূড়ামণি বলিয়া প্রসিদ্ধ হইতেন। এই সকল ঘটকচূড়ামণিরাই কুলজি গ্রন্থের পাঠ পরিবর্তন করিয়া নানা প্রকার গণ্ডগোল করিয়াছেন ।
----আদিশূর ও বল্লাল সেন
------পার্ব্বতীশঙ্কর রায়চৌধুরী

Saturday, March 5, 2016

এতদেশীয় কবিগণ

বিশেষতঃ মহাবল পরাক্রান্ত রাজাদিগের প্রসাদ-লালসায় এতদেশীয় কবিগণ নানাপ্রকার অত্যুক্তি করিয়া তাহাদিগের সামান্য যুদ্ধকার্যাকে দিগ্বিজয়, যৎসামান্য ইষ্টকালয়কে ইন্দ্রের অমরাপুরী, এবং তাহাদিগের সাধারণ কাৰ্য্য অসাধারণ অবদান বলিয়া বর্ণনা করিতেন ।
----আদিশূর ও বল্লাল সেন
------পার্ব্বতীশঙ্কর রায়চৌধুরী

ভারত-সভ্যতার ‍সূচনা

প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কার, ইত্যাদির ফলে এখন প্রমাণ পাওয়া গেছে যে মানবসমাজের একেবারে আদিতম কাল থেকেই ভারতে জনবসতি বর্তমান ছিল। বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতাগুলির একটির উৎপত্তি ঘটে ভারতে। এখানেই গড়ে ওঠে অত্যন্ত উচুস্তরের উন্নত এক সংস্কৃতি যা এই দেশের পরবতী বিকাশের ক্ষেত্রে এবং সমগ্রভাবে গোটা প্রাচ্যের, মধ্য ও দক্ষিণ-পবে এশিয়ার ও দরে প্রাচ্যের বহ জাতির সংস্কৃতির অগ্রগতিতে বিপলে প্রভাব বিস্তার করে।
----ভারতবর্ষের ইতিহাস, প্রস্তরযুগে ভারত
------কো.আন্তোনভা, গ্রি. বোনগার্দ-রেভিন, গ্রি. কতোভস্কি